Home
এ সময়ের সেরা উদ্যোক্তা তালিকায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস
News - Literature

উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল ধারণার প্রবর্তন করে ব্যবসা-উদ্যোগের গতানুগতিক ধরন পাল্টে দিয়ে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন—এম্ন ১২ জন সেরা উদ্যোক্তার তালিকার ১২তম স্থানে আছেন বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

Read more...
 
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বিদেশি বন্ধুদের সম্মাননা
Articles - Literary Articles

স্বাধীনতার ৪০ বছর পরও বিদেশি বন্ধুদের কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেনি বাংলাদেশ। এ পর্বের জন্য আমন্ত্রণ জানানো সম্ভব হয়েছে ১১০ জনকে। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Read more...
 
কবিগুরুর রুদ্রপলাশ
News - News

 

Rudrapalash

ইংরেজি নাম আফ্রিকান টিউলিপ বাংলা নাম রুদ্রপলাশ। নামটি কবিগুরুর দেওয়া।
রমনা পার্কে প্রথম পরিচয়।


তারপর দেখা হয় বলধা গার্ডেনে। সেই থেকে রুদ্রপলাশের ছবি তোলার প্রাণান্তকর চেষ্টা। রমনা পার্কের রুদ্রপলাশের দিকে ঘাড় উঁচু করে দৃষ্টি প্রসারিত করলেও ফুলের দেখা মেলা ভার! কেবল একটা-দুটো ফুল, গাছ থেকে টুপটাপ ঝরে পড়লে তবে দেখা মেলে। কিন্তু সে ফুলের ছবি তো আর তোলা যায় না! সে জন্যই এত দিন রুদ্রপলাশের ছবি তোলা হয়ে ওঠেনি।
এর মধ্যে বলধা গার্ডেনের গাছটি বয়সের ভারে আর ঝড়ের আঘাতে ভেঙে পড়লে শেষ হয় গাছটির শতবর্ষের ইতিহাস। রুদ্রপলাশের ছবি না তোলার আফসোসটা তাই থেকেই গিয়েছিল।
এখন বসন্ত। ক্যামেরার প্রতি তাই ফুলের সহজ হাতছানি। একদিন ধানমন্ডির রাস্তায় রিকশায় ঘুরে ঘুরে বসন্ত ফুলের সমাহার দেখছিলাম। ভাষাসৈনিক তোয়াহা সড়কের পাশে একটি কমিউনিটি সেন্টারের উল্টা দিকে হঠাৎ চোখ আটকে গেল। রুদ্রপলাশ! ছোট্ট আকারের গাছ ফুটপাতের ওপর দাঁড়িয়ে, ফুল একেবারে হাতের নাগালে। ক্যামেরা তাক করে ফটাফট ছবি তোলা শুরু। পথচারীদের প্রশ্নবাণ, ‘ভাই, এটা কী ফুল!’ ক্লান্তিহীন বলে যাই, রুদ্রপলাশ! এর মধ্যে পথশিশুরা এসে রাস্তায় পড়ে থাকা কলি তুলে মাথা ভেঙে টিপে একে অপরকে পিচকারির মতো করে পানি ছিটিয়ে দিল। আমিও পরীক্ষায় নামলাম। মজার দৃশ্য বটে! প্রকৃতিবিদ দ্বিজেন শর্মা জানালেন, ফুল যেভাবে মধু সংরক্ষণ করে, ঠিক তেমনি রুদ্রপলাশের কলি পানি ধরে রাখে। এই পানি সুস্বাদু, মিষ্টিও। তবে সেই পানি আমার আর পান করে দেখা হয়নি। আপনি আগ্রহী? যেতে হবে রমনা উদ্যানে, জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান বা ধানমন্ডির (৯/এ) ভাষাসৈনিক তোয়াহা সড়কে।
রুদ্রপলাশের বৈজ্ঞানিক নাম Spathodea campanulata। এরা Bignoniaceae পরিবারের সদস্য। ১৫ থেকে ২০ মিটার উচ্চতাসম্পন্ন একটি চিরসবুজ গাছ। কোথাও কোথাও এর বেশি উচ্চতার রুদ্রপলাশের দেখা মেলে। বসন্তের শুরুতে উজ্জ্বল সবুজ পাতার রুদ্রপলাশ গাছের ডালে ডালে থোকায় থোকায় লাল রঙের ফুল ফোটে। কোথাও কোথাও হলুদ রঙের রুদ্রপলাশেরও দেখা পাওয়া যায়। এই প্রজাতির রুদ্রপলাশকে বলা হয় Lutea। আদি নিবাস আফ্রিকা অঞ্চলে, তাই নাম আফ্রিকান টিউলিপ।

 

 
রোগজীবাণু প্রতিরোধী ধাতব মুদ্রা সংগ্রহে বাধা
Memories - My Memories

রোগজীবাণু প্রতিরোধী কয়েন সংগ্রহের উদ্যোগ আবারও ভেস্তে যেতে বসেছে। মহলবিশেষের কারসাজিতে প্রশংসনীয় এ উদ্যোগটি সাফল্যের মুখ দেখতে পারছে না।

Read more...
 
৮০ বছর পর ডিগ্রি পেলেন প্রীতিলতা ও বীণা দাসগুপ্ত
Articles - Literary Articles

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেত্রী বিপ্লবী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ও বীণা দাসগুপ্তকে মরণোত্তর স্নাতক ডিগ্রি দিয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।

Read more...
 
টাকা বাংলাদেশের কারেন্সী মুদ্রা
Articles - Literary Articles

 

টাকা বাংলাদেশের কারেন্সী মুদ্রার নাম। শব্দটি সংস্কৃত টঙ্কাথেকে উদ্ভুত। প্রাচীন যুগে, এমন কি মধ্য যুগেও এই টঙ্কাকথাটার প্রচলন ছিল। চার মাষা ওজনের রৌপ্যমুদ্রার নাম ছিল তঙ্কা। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে টাকা কথাটি ব্যপকভাবে ও বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উত্তর ভারতে টাকা ছিল তাম্রমুদ্রাবিশেষ, যা দুই পয়সার সমান এবং দক্ষিণ ভারতে চার পয়সা বা এক আনার সমান। কেবল বাংলাতেই টাকা বলতে একটি রূপার রুপিকে বোঝাতো। তুর্কি আফগান শাসকেরা রুপি কথাটি প্রবর্তন করে। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসকেরা রুপিকে প্রধান্য দিলেও বাংলার জনগণ সকল সময়ই মুদ্রাকে টাকা বলে এসেছে। ইবনে বতুতা লক্ষ করেছেন, বাংলার মানুষ দিনারকে সোনার তঙ্কা আর রূপার মুদ্রাকে রুপার তঙ্কা বলতো।

Read more...
 
রহস্য দ্বীপ হাতিয়া
Articles - Literary Articles

রহস্যময় এক দ্বীপ হাতিয়া। সম্পদে ভরপুর হাতিয়ার রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। রয়েছে হাজারও সমস্যা। অফুরন্ত সম্ভাবনার হাতিয়াকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বেশকিছু দস্যুবাহিনী।

Read more...
 
Rise of money through the ages: a unique publication launched
News - Literature

From left, Siddique Mahmudur Rahman, writer of Cowri to Taka; Kazi Wahidul Alam, publisher of the book; Atiur Rahman, Governor, Bangladesh Bank; eminent lawyer Barrister Rafique-ul Haque,; and Prof Sirajul Islam, president of Asiatic Society of Bangladesh, pose with copies of the book launched at Sonargaon Hotel in Dhaka.

'From ancient times to the 19th century, the people of Bengal have used the cowri (kori) as a medium of exchange. Its use first began to decline after British rule acquired monopoly in issuing and controlling the medium of exchange in the second half of the 19th century. Paper currency was first introduced then', writes Siddique Mahmudur Rahman in his book 'Cowri to Taka, Evolution of Coins and Currencies of Bangladesh'.

Read more...
 
Cowri to Taka is accepted for participation in Jakarta 2012.
News - Literature

Cowri to Taka is accepted for participation in Jakarta 2012. A magnum Opus of eminent researcher, author and translator Siddique Mahmudur Rahman 'Cowri to Taka Evolution of Coins and Currencies of Bangladesh' has been accepted as an exhibit of INDONESIA 2012 - World Stamp Competition nicknamed “INDONESIA 2012″ to be held from 18 to 24 June 2012 at the Jakarta Convention Center, Jakarta.

The show theme “Bridging the World of Peace Through Stamp” is to inspire the effort of world societies in achieving the eternal peace all over the world. More and more we realize that stamp has changed its track from merely a mean of showing payment of mail delivery to valuable collectible items.

“Indonesia 2012″ is expected to become the largest philatelic exhibition ever held in Indonesia. Earlier, Indonesia has successfully conducted philatelic exhibitions in Asia-Pacific three times, namely “Indopex ’93″ in Surabaya (1993), “Jakarta ’95″ in Jakarta (1995), and “Jakarta 2008″ in Jakarta (2008). Indonesia has also been a world philatelic exhibition organizers specifically for teens class “Indonesia ’96″ in Bandung (1996).

 
মহীরুহ দর্শনের স্মৃতি
Siddique Literature - Biography

সি দ্দি ক মা হ মু দু র র হ মা ন

আমার সঙ্গে সৈয়দ আলী আহসান স্যারের সরাসরি কোনো যোগাযোগ ছিল না। আমি তাঁর ছাত্র ছিলাম না, এমনকি কিশোর বয়সটা আমার পূর্ব পাকিস্তান বা পূর্ব বাংলাতেও কাটেনি। পিতার দূতাবাসে চাকরি সূত্রে কলকাতায় আমার সবটুকু স্কুলজীবন কেটেছে। কলকাতায় একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, কাজী আবদুল ওদুদ সাহেবের বাসায় আমরা ভাড়া থাকতাম। তাঁর পাঠকক্ষেই আমার সাহিত্যের হাতেখড়ি, তিপ্পান্ন থেকে পঁয়ষট্টি সাল পর্যন্ত যশোরে উচ্চ মাধ্যমিক, ডিগ্রি ও মাস্টার্স পড়ার সময়ও মাঝে মাঝে তাঁর লেখা নিয়ে যশোর সাহিত্য আসরে আলোচনা হয়েছে, খবরের কাগজে তাঁর কিছু লেখা পড়ার সৌভাগ্যও হয়েছে। তাঁর ছবিও বেশ ক’বার খবরের কাগজে দেখেছি। ঢাকার সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ না থাকায় তাঁকে চাক্ষুষ দেখিনি আমি। কিন্তু অজান্তেই আমি একজন ভক্ত হয়ে পড়েছিলাম তাঁর লেখা পড়ে এবং আশপাশের লেখক-সাহিত্যিকদের আলোচনা শুনে।

Read more...
 
«StartPrev12345678NextEnd»

Page 1 of 8